34 C
Bangladesh
Tuesday, October 26, 2021
Google search engine

সর্বশেষ পোস্ট

বগুড়া ধুনটকে ইলিশ জোন হিসেবে ঘোষণা চান মৎস্যজীবিরা

হেলাল উদ্দিন সরকার, ধুনট বগুড়া সংবাদদাতাঃ বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার সকল মৎস্যজীবিদের দাবি ধুনট এলাকাকে ইলিশ জোন হিসেবে ঘোষণা করা হোক। তারা বলেন বহমান যমুনা নদীর একদিকে সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর উপজেলা, অন্যপাশে বগুড়ার সারিয়াকান্দি এলাকা দুইটিকে ইলিশ জোন ঘোষণা করা হয়েছে।

মাঝখানে বগুড়ার ধুনট এলাকা যা ইলিশ জোন ঘোষণা করা হয়নাই। ফলে ধুনটের মৎস্যজীবিরা ইলিশ সংরক্ষণ আইনে কোনো প্রকার সরকারি সাহায্য সহযোগিতা পাচ্ছেন না। কিন্তু ইলিশ সংরক্ষণ আইন তাদের উপর সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। ধুনট এলাকার মৎস্যজীবিরা আরোও বলেন ইলিশমাছ নদীর স্রোতে তাদের বংশ বিস্তার করে।

নদীর স্রোতে কাজীপুর এলাকায় যমুনা নদীর ইলিশমাছতো কাজীপুরেই বসে থাকেনা, সারিয়া কান্দির যমুনা নদীর ইলিশ মাছ তো সারিয়াকান্দিতেই থাকেনা – ধুনটের উপর দিয়েই তাদের বিচরণ। তবে কেনো ধুনট ইলিশ জোনের আওতায় আসবেনা! কেনো তারা সরকারি সাহায্য সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত হবে! 

এ ব্যাপারে ধুনট উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা(বিসিএস) মীর্জা ওমর ফারুক এর সাথে এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে, তিনি ঘটনা মেনে নিয়ে বলেন, বিভিন্ন নদী যেখানে ইলিশমাছ পাওয়া যায় প্রকার ভেদে এ নদী কে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। A ক্যাটাগরি ও B ক্যাটাগরি। A ক্যাটাগরিকে ইলিশ জোন হিসেবে ঘোষণা দিয়ে বলা হয়েছে এ-ই নদীতে ইলিশ সংরক্ষণ এর নির্দিষ্ট সময়ে কোন মাছই ধরা যাবেনা।

কিন্তু B ক্যাটাগরি নদীর স্থান সমূহকে ইলিশ জোন ঘোষণা করা হয়নি, তাদের জন্য আইন ইলিশ সংরক্ষণ এর নির্দিষ্ট সময়ে শুধুমাত্র ইলিশমাছ ধরতে পারবে না অন্যান্য মাছ ধরা যাবে। মৎস্য কর্মকর্তা মীর্জা ওমর ফারুক বলেন সমস্যাটা এখানেই। অভিযান চলাকালীন সময়ে মৎস্যজীবিরা বলে তারা ইলিশ মাছ ধরছে না, অন্যান্য মাছ ধরছে।

পক্ষান্তরে তারা গোপনে ইলিশ মাছও ধরে। ফলে তাদের উপর ইলিশ সংরক্ষণ আইন খুব সাবধানে ও কঠিনভাবে প্রয়োগ করতে যেয়ে দেখা যায় অনেক মৎস্যজীবি হয়রানির শিকার হয়ে মৎস্য আহরণ থেকে বিরত রয়েছেন। তাদের আয় বন্ধ হয়ে গেছে, আইন অনুযায়ী তারা কোনো সরকারি সাহায্য সহযোগিতা পাচ্ছেন না। ইতিমধ্যে সরকার ইলিশের ডিম ছাড়ার প্রধান মৌসুম হিসেবে অক্টোবর ০৪ থেকে ২৫ অক্টোবর ২২ দিন মা ইলিশ সংরক্ষণ আইনে সকল মৎস্য জীবিতদের ইলিশ মাছ ধরা, বিক্রি করা থেকে বিরত থাকতে আদেশ দিয়েছেন।

অন্যথায় এক বছর থেকে দুই বছর পর্যন্ত জেল অথবা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করা হবে। জনসাধারণদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে ধুনট মৎস্য কর্মকর্তা বলেন ইতিমধ্যে হাটবাজার সহ বিভিন্ন স্থানে লিফলেট বিলি, মাইকিং করা হয়েছে।

ইতিমধ্যে দুইশত মিটার কারেন্ট জাল, চৌদ্দ পিচ চায়না জাল উদ্ধার করে পুড়িয়ে ফেলেছেন। তার দক্ষ একদল মনিটরিং টিম সার্বক্ষণিক ইলিশ মাছ সংরক্ষণের এই নির্দিষ্ট সময়ে নজরদারি করে যাচ্ছেন, এবং এই নির্দিষ্ট সময়ে মা ইলিশ মাছ সংরক্ষণে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

লেটেস্ট পোষ্ট

ফেয়ার & লেডি

spot_img

অবশ্যই পড়ুন

Stay in touch

To be updated with all the latest news, offers and special announcements.