26 C
Bangladesh
Monday, November 29, 2021
Google search engine

সর্বশেষ পোস্ট

বগুড়ার শেরপুর সাব রেজিস্টারের কেরামতিতে রাজস্ব ফাঁকি ১৭লাখ!


স্টাফ রিপোর্টার: শেষ কর্মদিবসে বগুড়ার শেরপুরের সাব-রেজিস্ট্রার নূর এ আলমের কেরামতিতে বেরিয়ে এসেছে সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করার তথ্য।

আইন বহির্ভূতভাবে জমির  শ্রেণী পরিবর্তনের মাধ্যমে দলিল রেজিস্ট্রি করে এক দলিলেই সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয় অন্তত সতের লাখ টাকা।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) এই দলিল রেজিস্ট্রির ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। দলিল লেখকদের অভিযোগ, বদলি জনিত কারণে এদিনই শেষ কর্মদিবসে সরকারের কয়েকলক্ষ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নিজের পকেটে মোটা অংকের টাকা তুলতেই অনেকটা গোপনেই তরিঘরি করে দলিলটি রেজিস্ট্রি করেন।


অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের মদনপুর মৌজায় দুই একর চার শতক বাণিজ্যিক জমি বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২’এর জেনারেল ম্যানেজার ক্রয় করেন। জমি বিক্রেতা স্থানীয় বাসিন্দা এসএম কামাল হোসেন।

সর্বশেষ জমির কাগজপত্রে বাণিজ্যিক হিসেবেই নামজারি ও খাজনা পরিশোধ করেন তিনি। অথচ এই জমি ধানী হিসেবে উল্লেখ করে বুধবার দুপুরে তার নিকট থেকে জমিটি রেজিস্ট্রি করে নেওয়া হয়। যার দলিল নং-১১০৯০। পুরো বিষয়টি সাব-রেজিস্ট্রার নূর এ আলমকে ম্যানেজ করেই করা হয়।

এতে করে সরকার বাণিজ্যিক জমি রেজিস্ট্রির নির্ধারিত ভ্যাট-ট্যাক্স থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এভাবে জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে দলিল রেজিস্ট্রি করায় সরকার অন্তত সতের লাখ টাকা রাজস্ব হারিয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।


অপরদিকে এই দলিলে সম্পাদনকারি দলিল লেখক মতিউর রহমান মতি বলেন, জমির সব কাগজপত্রই ধানী রয়েছে। শুধু বাণিজ্যিক হিসেবে খাজনা পরিশোধ করা হয়। তাই সেভাবেই দলিল করা হয়েছে। এক্ষেত্রে জমির কোনো শ্রেণী পরিবর্তন করা হয়নি। 


সাব-রেজিস্টার নূর এ আলম বলেন, যথাযথ নিয়ম মেনেই দলিলটি রেজিস্ট্রি করা হয়েছে। তাই সরকার কোনো রাজস্ব হারাননি। এসব নিছক অপপ্রচার।

আমি এখানে যোগদানের পর যেসব দলিল লেখক কোনো অবৈধ সুযোগ-সুবিধা নিতে পারেননি মূলত তারাই এধরণের মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করেছেন।

লেটেস্ট পোষ্ট

ফেয়ার & লেডি

spot_img

অবশ্যই পড়ুন

Stay in touch

To be updated with all the latest news, offers and special announcements.