23 C
Bangladesh
Saturday, December 4, 2021
Google search engine

সর্বশেষ পোস্ট

বগুড়ার শেরপুরে রোপা আমনের বাম্পার ফলনে কৃষকের আনন্দ

জিয়াউদ্দিন লিটনঃ স্টাফ রিপোর্টার:  বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় এবার আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।  কৃষকের চোখে-মুখে ফুটে উঠেছে হাসির ঝিলিক।

সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মাঠ ঘুরে দেখা যায়, মাঠজুড়ে চলছে রোপা আমন ধান কআটা-মাড়াইয়ের প্রতিযোগিতা। শত ব্যস্ততার মাঝেও কয়েকজন চাষির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টিপাত হওয়ায় রোপা আমন ধানের আশানুরূপ ফলন পেয়েছে তারা। এ মৌসুমে রোপা আমন ধান চাষের খরচ ইরি চাষের চেয়ে কম হওয়ায় অনেক কৃষকই তাদের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান চাষ করতে পেরেছেন।

Exif_JPEG_420

শেরপুর উপজেলার চাষি মজিবর বলেছেন, এ বছর চারার সঙ্কট না হাওয়ায় ও সময়মতো বৃষ্টিপাত হওয়ায় ধান চাষের খরচ কম হয়েছে। শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর চাষিদের চোখ-মুখে দেখা যাচ্ছে হাসির ঝিলিক।

খিকিন্দা গ্রামের ধানচাষি মনির মিয়া, মজনু আলীসহ স্থানীয় কৃষকরা জানান, আশানুরূপ বৃষ্টিপাত ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাম্পার ফলন এবং উৎপাদিত ধানের নায্যমূল্য পাওয়ায় আশা করছেন।

চলতি মৌসুমে এই উপজেলার প্রায় কৃষকরাই দেশীয় জাতের পরিবর্তে (বিনা ধান-১৭, ৭, ২০, ব্রি-ধান ৪৯, ৬৬, ৭২, হাইব্রিড ধানী গোল্ড ও কেয়া) জাতের উচ্চ ফলনশীল ধানের চাষ করছেন।

তাতরা গ্রামের রোপা আমন ধান চাষী রাসেল ইসলাম বলেন, এ বছর আমি দুই বিঘা জমিতে ধানের চাষ করেছি, যাতে জমি চাষ, বীজ, শ্রমিক, সার বাবদ প্রথম অবস্থায় খরচ হয়েছে ৯ হাজার টাকা।  তবে আবহাওয়া অনুকূলে  থাকায় এ খরচ পুষিয়ে যাবে।

শেরপুর উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ বছর শেরপুর উপজেলায় ২১ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লাখ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্জিত হয়েছে ২২ হাজার ২০০ হেক্টর। আবহাওয়া অনুকূলে ছিলো তাই এ বছর উপজেলায় ধান উৎপাদনের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে বলে মনে করছে কৃষি বিভাগ।

লেটেস্ট পোষ্ট

ফেয়ার & লেডি

spot_img

অবশ্যই পড়ুন

Stay in touch

To be updated with all the latest news, offers and special announcements.