22 C
Bangladesh
Monday, November 29, 2021
Google search engine

সর্বশেষ পোস্ট

ঠাকুরগাঁওয়ে এক নবজাতকে হত্যার অভিযোগ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া থানার ঘনিমশেষপুর গ্রামের এরশাদুল ইসলাম তার ৬ মাসের নবজাতককে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন গাইনী ডাক্তার ও আল্ট্রাসনোগ্রামের রিপোটের প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে।


সোমবার (২২ নভেম্বর) নবজাতকের পিতা ও মাতা এই অভিযোগ তুলেন। এরশাদুল ও তার স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন সন্তান পেটে থাকা অবস্থায় ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের গাইনী ডাক্তার ফারহানা রহমান মিতুর কাছে গত ১৭ নভেম্বর চিকিৎসার জন্য আসি।

তিনি রোগীকে দেখার পর আল্ট্রাসনোগ্রামের পরামর্শ দেন। পরামর্শ অনুযায়ী সেদিনই হাসান এক্স-রে ক্লিনিক এন্ড প্যাথলজিতে আল্ট্রাসনোগ্রাম করি। ডাক্তার বলেন নবজাতেকর একটি হাত ও একটি পাঁ নেই। রিপোর্টটি তাৎপর্যপূর্ণ না হওয়ায় পূনরায় দেশ এক্স-রে ক্লিনিক এন্ড প্যাথলজিতে ডা: সোনার মাধ্যমে আল্ট্রাসনোগ্রামের পরামর্শ দেন। পূনরায় আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো হয়।

এ সময় ডাক্তার দূরব্যবহার করেন। আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট পাওয়ার পর ডা: ফারহানা বলেন সন্তানটি প্রতিবন্ধী তাই বাচ্চটি এ্যাবোশন করাই ভালো। পরামর্শ মোতাবেক ওই প্রসুতিকে আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কিন্তু সেই সন্তান জন্মের পর দেখা যায় তার হাত-পাঁ সব কিছুই রয়েছে। এতে ডাক্তার আমার ভূল চিকিৎসা দিয়েছে। এতে আমরা অনেক বড় ক্ষতিগ্রস্থ হলাম। আল্ট্রাসনোগ্রাম ডাক্তার সোহেল সরকার বলেন রিপোর্টে ত্রুটি থাকায় ওই দম্পত্তিকে অ্যানোমালি স্ক্যান করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়।

ডাক্তার মিরাজুল ইসলাম সোনা বলেন রিপোটে বাচ্চার হাত-পাঁ গুলো ছোট দেখাচ্ছিল, তারা বললে তো হবে না স্বাভাবিক? রিপোর্টটা দেখতে হবে। তবে আমারও ভূল হতে পারে। ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের গাইনী ডাক্তার ফারহানা রহমান মিতু বলেন বাচ্চাটার এ্যালামনিয়া, জন্মগত ত্রুটি আছে।

রিপোর্টে বলেছে ওই বাচ্চার বয়স ৬মাস, সে অনুযায়ী তার হাত-পাঁ গুলো বৃদ্ধি হয়নি। ওই দম্পত্তির অনুমোতি নিয়ে সব কিছু করা হয়েছে। আইনজীবী আবু তোরাব মানিক বলেন সন্তান প্রতিবন্ধী হলেও হত্যার অনুমোতি আইনে দেয়নি। যদি এটা করে থাকে তাহলে সেটা অপরাধ।

লেটেস্ট পোষ্ট

ফেয়ার & লেডি

spot_img

অবশ্যই পড়ুন

Stay in touch

To be updated with all the latest news, offers and special announcements.